অর্থনীতি ২য় পত্র, দশম অধ্যায়, উন্নয়ন পরিকল্পনা, এইচ এস সি, ৯ টি গুরুত্বপূর্ণ সৃজনশীল প্রশ্ন। Economics Tutor BD.
অর্থনীতি ২য় পত্র, দশম অধ্যায়, উন্নয়ন পরিকল্পনা, এইচ এস সি, ৯ টি গুরুত্বপূর্ণ সৃজনশীল প্রশ্ন।
১. ঢাকা বোর্ড ২০১৯
'x' ও 'Y' দুটি দেশ। উভয় দেশই আর্থসামাজিক অবকাঠামোর উন্নয়ন, দারিদ্র্য দূরীকরণ, জনগণের মাথাপিছু আয় ও জীবনযাত্রার মান বৃদ্ধি এবং বেকার সমস্যার সমাধানের মাধ্যমে সার্বিক অর্থনৈতিক উন্নয়ন করতে সচেষ্ট। এক্ষেত্রে 'X' দেশ কেন্দ্রীয়ভাবে পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করছে। কিন্তু 'Y' দেশ রাজস্ব ও আর্থিক নীতির সহযোগিতায় বেসরকারি খাতকে উৎসাহদানের মাধ্যমে উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করে।
ক. পরিকল্পনা কী? ১
খ. প্রেক্ষিত পরিকল্পনা কেন প্রণয়ন করা হয়? ২
গ. উদ্দীপকের ভিত্তিতে 'Y' দেশের গৃহীত পরিকল্পনার ধরন চিহ্নিত কর। ৩
ঘ. 'X' ও 'Y' দেশে গৃহীত পরিকল্পনার মধ্যে বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশে কোনটি বেশি কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে? তোমার উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দাও। 8
২. রাজশাহী বোর্ড ২০১৯
বাংলাদেশ সম্প্রতি উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা লাভ করেছে। এ দেশের উন্নয়নের জন্য দ্রুত শিল্পায়ন, বেকার সমস্যার সমাধান, মুদ্রাস্ফীতি রোধ, জনসংখ্যা বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করা প্রয়োজন। এজন্য সরকার ২০১০-২০২১ ও ২০১১-২০১৫ এর ন্যায় বিভিন্ন উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করে আসছে। প্রয়োজন সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য এবং বাস্তবায়নের দৃঢ় পদক্ষেপ গ্রহণ করলেই দারিদ্র্যের দুষ্টচক্র ভেদ করা সম্ভব এবং দৃশ্যমান সফলতাও অর্জিত হচ্ছে। যদিও এটি সময় সাপেক্ষ বিষয়।
ক. অর্থনৈতিক পরিকল্পনা কী? ১
খ. উন্নয়নশীল দেশে উন্নয়ন পরিকল্পনা অধিক গুরুত্বপূর্ণ কেন? ২
গ. উদ্দীপকের আলোকে বাংলাদেশের উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণের কারণসমূহ ব্যাখ্যা কর। ৩
ঘ. “দারিদ্র্যের দুষ্টচক্র ভেদ করার জন্য উন্নয়ন পরিকল্পনার প্রয়োজন আছে”- উদ্দীপকের আলোকে উক্তিটি যথার্থতা মূল্যায়ন কর। 8
৩. যশোর বোর্ড ২০১৯
উন্নয়ন পরিকল্পনা ছাড়া কোনো দেশই উন্নয়নের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছতে পারে না। বাংলাদেশ সরকার ২০১১ সালে একটি পরিকল্পনা গ্রহণ করে, যা ২০১৫ সালে শেষ হয়। মূলত এ পরিকল্পনার উন্নয়ন কৌশল অবলম্বন করেই দেশটি মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হওয়ার পথ সুগম করেছে।
ক. প্ররোচিত পরিকল্পনা কী? ১
খ. "পরিকল্পনা ছাড়া উন্নয়ন সম্ভব নয়"- ব্যাখ্যা কর। ২
গ. উদ্দীপকে বাংলাদেশ সরকারের কোন পরিকল্পনার কথা বলা হয়েছে? এ পরিকল্পনার তিনটি উদ্দেশ্য লেখ। ৩
ঘ. উদ্দীপকে বর্ণিত পরিকল্পনার উন্নয়ন কৌশলসমূহ বিশ্লেষণ কর। ৪
৪. কুমিল্লা বোর্ড ২০১৯
দারিদ্র্য বিমোচনের মাধ্যমে দ্রুত অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য একটি দেশের অর্থনীতিতে পরিকল্পনার গুরুত্ব অপরিসীম। ১৯৭৩ থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশে পাঁচটি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা এবং একটি ১। দ্বিবার্ষিক পরিকল্পনা প্রণীত হয়েছে। প্রতিটি পরিকল্পনার অন্যতম লক্ষ্য ২। ছিল দারিদ্র্য বিমোচন, রূপকল্প-২০২১ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে গৃহীত ষষ্ঠ ও সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনারও গুরুত্বপূর্ণ উদ্দেশ্য হলো দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাসকারী জনগণের সংখ্যা বর্তমানের ৩১.৫ শতাংশ থেকে ১৫ শতাংশে নামিয়ে আনা এবং এভাবে ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত করা।
ক. স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনা কাকে বলে? ১
খ. "বার্ষিক উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা বাস্তবরূপ লাভ করে”- ব্যাখ্যা কর। ২
গ. উদ্দীপকে বর্ণিত ১৯৭৩ সাল থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক গৃহীত পরিকল্পনার ধরন ব্যাখ্যা কর। ৩
ঘ. ষষ্ঠ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার উন্নয়ন কৌশল বাংলাদেশ সরকারের দারিদ্রের হার কমিয়ে আনার লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে কতটুকু সফল হয়েছে? মূল্যায়ন কর। 8
৫. চট্টগ্রাম বোর্ড ২০১৯
কোনো দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য উন্নয়ন পরিকল্পনার গুরুত্ব অপরিসীম। কিন্তু বাংলাদেশের মতো অধিকাংশ উন্নয়নশীল দেশে অর্থনৈতিক পরিকল্পনা বাস্তবায়নে নানাবিধ সমস্যা বিদ্যমান। তন্মধ্যে দক্ষ মানবসম্পদের অভাব, দুর্নীতি, মুদ্রাস্ফীতি, সঠিক তথ্য ও উপাত্তের অভাব, অর্থায়নের অনিশ্চয়তা, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশের অনুপস্থিতি, সৎ ও দক্ষ প্রশাসনের অভাব ও আমলাতান্ত্রিক জটিলতা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
ক. স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনা কী? ১
খ. কোনো দেশের সুষম উন্নয়নের জন্য উন্নয়ন পরিকল্পনা একান্ত প্রয়োজন। ব্যাখ্যা কর। ২
গ. উদ্দীপকের আলোকে উন্নয়নশীল দেশের পরিকল্পনা বাস্তবায়নের সমস্যাগুলো আলোচনা কর। ৩
ঘ. বাংলাদেশে উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে তোমার সুপারিশ ব্যাখ্যা কর। 8
৬. বরিশাল বোর্ড ২০১৯
দেশের উন্নয়নকে সামনে রেখে বাংলাদেশ সরকার ২০১০ সালে রূপকল্প-২০২১ নামে একটি পরিকল্পনা গ্রহণ করে। এ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য সরকার ২০১১-২০১৫ সময়সীমার আরও একটি উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করে। পরিকল্পনার উদ্দেশ্যের মধ্যে দারিদ্র্য বিমোচনসহ সকল সেক্টরের উন্নতি সাধনের মাধ্যমে বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত করে।
ক. উন্নয়ন পরিকল্পনা কী? ১
খ. "পরিকল্পনা ছাড়া অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব নয়"- ব্যাখ্যা কর। ২
গ. উদ্দীপকে উল্লিখিত রূপকল্পটি কোন ধরনের পরিকল্পনাকে নির্দেশ করে? এ ধরনের পরিকল্পনার প্রয়োজন হয় কেন? ৩
ঘ. উদ্দীপকে উল্লিখিত পরিকল্পনা দুটি দেশের দারিদ্র্য বিমোচনে কতটুকু অগ্রগতি অর্জন করেছে? মূল্যায়ন কর। 8
৭. দিনাজপুর বোর্ড ২০১৯
কোনো দেশকে দ্রুত অর্থনৈতিক দিক দিয়ে এগিয়ে নিতে হলে কিছু পূর্বপরিকল্পিত কর্মসূচি গ্রহণ করতে হয়। এসব কর্মসূচিকে আবার কতকগুলো ভাগে ভাগ করা হয়। আয় বৈষম্য হ্রাস, বেকারত্ব ও দারিদ্র্য লাঘব, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, জনসংখ্যা উন্নয়ন প্রভৃতি ক্ষেত্রে এ কর্মসূচির গুরুত্ব রয়েছে। কিন্তু মূলধন ও ঋণের অভাব, তথ্য-উপাত্তের সংকট, দুর্নীতি, অদক্ষ জনগোষ্ঠী, দুর্বল অবকাঠামো, প্রশাসনিক অদক্ষতা প্রভৃতি এ কর্মসূচিকে সফলতার মুখ দেখতে দেয় না।
ক. মধ্যমেয়াদি উন্নয়ন পরিকল্পনা কী? ১
খ. স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনার সফলতার ওপর দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার সফলতা নির্ভরশীল- ব্যাখ্যা কর। ২
গ. উদ্দীপকের আলোকে উন্নয়ন পরিকল্পনার গুরুত্ব ব্যাখ্যা কর। ৩
ঘ. কী কী কারণে উন্নয়ন পরিকল্পনা ব্যর্থ হয়? উদ্দীপকের আলোকে ব্যাখ্যা কর। 8
৮. ঢাকা, যশোর, সিলেট ও দিনাজপুর বোর্ড ২০১৮
একটি সদ্য স্বাধীন ও উন্নয়নশীল দেশ। দেশটির জনসংখ্যার একটি বিরাট অংশ দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করে। দেশটি দ্রুত অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও জনগণের জীবনমান বাড়ানোর জন্য প্রাকৃতিক সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার, মূলধন গঠন, মানবসম্পদ উন্নয়ন, বেকার খাদ্য ও সমস্যার সমাধান, সুষম উন্নয়ন, লেনদেন ভারসাম্যের প্রতিকূলতা দূরীকরণ, বৈদেশিক সাহায্যের ওপর নির্ভরশীলতা হ্রাস ইত্যাদি লক্ষ্যকে সামনে রেখে একটি ব্যবস্থাপত্র গ্রহণ করে। ফলে দেশটির দারিদ্র্য বিমোচনের উদ্দেশ্য বেশ সফলতা পায়।
ক. উন্নয়ন পরিকল্পনা কী? ১
খ. দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রয়োজন হয় কেন? ২
গ. উদ্দীপকের দেশটির গৃহীত 'ব্যবস্থাপত্রকে' অর্থনীতির ভাষায় কী বলে? বর্ণনা কর। ৩
ঘ. উদ্দীপকের দেশটির গৃহীত 'ব্যবস্থাপত্র' দারিদ্র্য বিমোচনে কতটা সফল হয়েছে বলে তুমি মনে কর? তোমার উত্তরের সপক্ষে মতামত দাও। 8
৯. রাজশাহী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম ও বরিশাল বোর্ড ২০১৮
বর্তমান বিশ্বের প্রায় সকল দেশ বিভিন্ন প্রকার পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করছে। A দেশ আর্থসামাজিক উন্নয়নের কর্মসূচি দ্রুত বাস্তবায়ন, দ্রুত প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য অর্জন, অতীতে গৃহীত পরিকল্পনার মূল্যায়ন ও অনিশ্চয়তা হ্রাসের প্রক্রিয়া নির্ধারণ, বৈদেশিক সাহায্যের সুষ্ঠু ব্যবহার নিশ্চিতকরণের জন্য ২০১৫-২০১৭ মেয়াদি উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করে। B দেশ সাক্ষরতার হার ১০০ ভাগে উন্নীতকরণ, বিদ্যুৎ উৎপাদন ২৫০০০ মেগাওয়াট নিশ্চিতকরণ, সমাজের আয় বৈষম্য দূরীকরণসহ নানাবিধ লক্ষ্য বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশকে মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত করার জন্য ২০১৫-২০১৭ সাল মেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।
ক. বার্ষিক উন্নয়ন পরিকল্পনা কী? ১
খ. অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য পরিকল্পনার প্রয়োজন- ব্যাখ্যা কর। ২
গ. A দেশের পরিকল্পনাটি কোন ধরনের? তার উদ্দেশ্য বর্ণনা কর। ৩
ঘ. A ও B দেশের পরিকল্পনার মৌলিক কোনো পার্থক্য আছে কি?
বিশ্লেষণ কর। 8
